চয়ন আহমেদ, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি, বিডি বাংলা নিউজ ২৪
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে নিহত হাফেজ মোহাম্মদ জুবায়ের আহমদের (১৭) লাশ কবর থেকে উত্তোলন করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েছেন ম্যাজিস্ট্রেট’সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যারা।
শেষ পর্যন্ত পরিবারের বাধা ও আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ উত্তোলন না করেই ফিরে যান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ সদস্যরা।বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার লাহিনীপাড়া কবরস্থানে মরেদহ উত্তোলনে গেলে শহীদ পরিবার আপত্তি জানায়।
এতে কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন না করেই ফিরে যান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ’সহ সংশ্লিষ্টরা।নিহতের বাবা কামাল উদ্দিন বলেন, ৫ আগস্ট বিকালে আনন্দ মিছিলে অংশগ্রহণ করেছিল আমার ছেলে হাফেজ মোহাম্মদ জুবায়ের আহমদ।

এসময় পুলিশের এলোপাতাড়ি গুলিতে গুরুতর আহত হয়। তার পেটে গুলি লাগে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ময়নাতদন্ত ছাড়াই তার দাফন করা হয়।তিনি আরও বলেন, আমার ছেলে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে।
এটা সবাই জানেন। ঘটনাটি তদন্ত করলে এবং ওইসব এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ ও ভিডিও ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করলেই বিষয়টি জানা যাবে।

পুলিশের গুলিতে জুবাইয়ের নিহত হয়েছে এটা পরিষ্কার। আমরা ছেলের লাশ উত্তোলন করতে চাই না এবং ময়নাতদন্ত করার দরকার নেই বলে মনে করি। এজন্য লাশ উত্তোলন করতে দিইনি।

আমার ছেলের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় যারা জড়িত, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। হত্যার ঘটনায় মামলা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।জানা গেছে, মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আদালতের নির্দেশে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত জুবায়ের আহমদের মরদেহ উত্তোলনের জন্য কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার লাহিনীপাড়া কবরস্থান যান জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, পুলিশ সদস্যসহ সংশ্লিষ্টরা। কিন্তু মরদেহ উত্তোলনে শহীদ পরিবার আপত্তি জানায়।
এ অবস্থায় মরদেহ উত্তোলন না করেই ফিরে যান জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।আরও জানা গেছে, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট ৫টা ৪৫ মিনিটের দিকে রাজধানীর খিলগাঁও চৌরাস্তায় ছাত্রজনতার বিজয় মিছিলে অংশগ্রহণ করেছিলেন জুবায়ের।
এসময় তাদের উপর এলোপাতাড়ি গুলি করে পুলিশ। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন জুবায়ের। তাকে উদ্ধার করে সরকারি মুগদা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর জুবায়ের আহমদের বাবা কামাল উদ্দিন বাদী হয়ে খিলগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় ২৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়।নিহত হাফেজ মোহাম্মদ জুবায়ের আহমদ কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার লাহিনীপাড়া এলাকার কামাল উদ্দিনের ছেলে। তিনি হাফেজ ও মাদরাসা ছাত্র ছিলেন।
তার পেট ও শরীরের বিভিন্নস্থানে গুলি করে হত্যা করা হয়।এ বিষয়ে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদিত্য পাল বলেন, মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আদালতের নির্দেশে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত জুবায়ের আহমেদের মরদেহ উত্তোলনের জন্য কবরস্থানে এসেছিলাম।
নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে বাধা দেওয়ায় মরদেহ উত্তোলন করা হয়নি। বিষয়টি আদালতকে জানানো হবে।
বিডিবিএন২৪/আরডি

-
হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধউপসাগরে এখনো আটকা ৩২৫ ট্যাঙ্কারসহ ৬০০টিরও বেশি জাহাজ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি সত্ত্বেও হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল স্থবির হয়ে আছে, যা ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট সমাধানের আশা ম্লান করে দিয়েছে।বার্তাসংস্থা আল জাজিরার তথ্য মতে, জাহাজ ট্র্যাকিং ডেটা অনুসারে, মঙ্গলবার ওয়াশিংটন ও তেহরান ২ সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করার পর থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে মাত্র কয়েকটি জাহাজ চলাচল…
-
শজনে না লাজনা—চোখে একই, আসলে কতটা ভিন্ন?
শজনে ও লাজনা—নাম যেমন কাছাকাছি, দেখতে গিয়েও অনেকেই বিভ্রান্ত হন। বাজারে বা গাছের ডাঁটা দেখে অনেকেই বুঝতে পারেন না, তিনি শজনে কিনছেন নাকি লাজনা। তবে উদ্ভিদবিদদের মতে, দেখতে প্রায় একই রকম হলেও গঠন, ফলন, চাষপদ্ধতি ও স্বাদের দিক থেকে এ দুই উদ্ভিদের মধ্যে রয়েছে স্পষ্ট পার্থক্য। উদ্ভিদবিদ ও গবেষক জিনিয়া নাসরিন জানান, শজনেকে যেমন বিভিন্ন…
-
কুষ্টিয়ায় এডুকেয়ার আবাসিকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু, উঠছে অবহেলার অভিযোগ
কুষ্টিয়ায় একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আবাসিক ভবনে নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত শিক্ষার্থীর নাম জুবায়ের আহম্মেদ (১৪)। তিনি কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার বাসিন্দা এবং তার পিতার নাম মহাসীন।জানা গেছে, আবাসিক ভবনে অবস্থানকালে অসুস্থ হয়ে পড়লে রাত আনুমানিক ৩টার দিকে তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়।…






